বানানো কনটেন্ট
এই বিষয়ে 3টি ঘটনা
সহজ
বিশ্বাস করার আগে কোন জিনিসটা তোমাকে সন্দিহান করা উচিত?
একটা সোশ্যাল মিডিয়ায়, “নীলগঞ্জ পুরসভা অফিসিয়াল” নামের একটা অ্যাকাউন্ট পোস্ট করে: “সোমবার থেকে, সব বাসিন্দাকে বাড়ির বর্জ্য বেগুনি ব্যাগে ফেলতে হবে। সাদা ব্যাগ নিষিদ্ধ। জরিমানা শুরু ৫,০০০ টাকা থেকে”। প্রোফাইলে পুরসভার সিলমোহর দেখা যাচ্ছে, ১২,০০০ ফলোয়ার।
- নামের পাশে “অফিসিয়াল” লেখাটাই একটা সংকেত: পুরসভার আসল অ্যাকাউন্ট সরাসরি তাদের ওয়েবসাইটে খুঁজে দেখো
- জরিমানাটা অনেক বেশি, কেউ এটা মেনে নিতই না
- অ্যাকাউন্টটার এত বড় একটা কমিউনিটি আছে, তাই এটা নিশ্চয়ই আসল
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখো
সঠিক উত্তর: নামের পাশে “অফিসিয়াল” লেখাটাই একটা সংকেত: পুরসভার আসল অ্যাকাউন্ট সরাসরি তাদের ওয়েবসাইটে খুঁজে দেখো
একটা নকল অ্যাকাউন্টেরও হাজার হাজার ফলোয়ার থাকতে পারে, আর দুই মিনিটেই অফিশিয়াল রূপ নকল করা যায়। একমাত্র সত্যিকারের উৎস: পুরসভার নিজের ওয়েবসাইটে গিয়ে তাদের আসল অ্যাকাউন্ট খোঁজা, বা সরাসরি ফোন করা। জরিমানাটা বিশ্বাসযোগ্য হোক বা না হোক - সেটা আসল সংকেত না।
সম্পর্কিত অভ্যাস : 1. কে বলছে? · 2. কোন উৎস?
মাঝারি
কোন জিনিসটা প্রথমে তোমাকে সন্দিহান করা উচিত?
একটা শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্মে, দুই বান্ধবীর মধ্যে একটা এসএমএস-এর স্ক্রিনশট ঘুরছে। একজন লিখেছে: “টিভিতে দেখলাম, ২০২৭ সালে এনার্জি বাঁচাতে স্কুলের গরমের ছুটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।” আরেকজন: “সত্যি বলছিস?! এটা তো পাগলামি!” ১৫,০০০ লাইক, উদ্বিগ্ন মন্তব্যের ছড়াছড়ি।
- এত লাইক প্রমাণ করে এটা একটা আসল স্ক্রিনশট
- একটা সত্যিকারের সরকারি সিদ্ধান্ত অফিশিয়াল বিবৃতির মধ্য দিয়ে আসে, এসএমএসের গুজব দিয়ে নয়
- ইমোজিগুলোই মেসেজটাকে সন্দেহজনক বানিয়ে দেয়
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখো
সঠিক উত্তর: একটা সত্যিকারের সরকারি সিদ্ধান্ত অফিশিয়াল বিবৃতির মধ্য দিয়ে আসে, এসএমএসের গুজব দিয়ে নয়
এসএমএস বা মেসেজিং অ্যাপের স্ক্রিনশট দুই ক্লিকেই বানিয়ে ফেলা যায়। একটা সত্যিকারের এনার্জি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত সরকার তার অফিশিয়াল মাধ্যমে প্রকাশ্যে ঘোষণা করে, কোনো কথাবার্তার মধ্যে আকস্মিকভাবে খুঁজে পাওয়া যায় না। সন্দেহ হলে আসল ঘোষণাটা খুঁজে দেখো।
সম্পর্কিত অভ্যাস : 2. কোন উৎস? · 6. খুব ভালো হয়ে গেল না তো?
কঠিন
এই ঘটনাটা কেন বিশেষভাবে জটিল?
“বিজ্ঞান-সংবাদ.কম” (অচেনা একটা সাইট) নামের সাইটে পাওয়া একটা প্রবন্ধ: “বিজ্ঞানীরা এমন একটা নতুন ভাইরাস খুঁজে পেয়েছেন, যা সাধারণ টেস্টে ধরা পড়ে না।” কোনো নাম উল্লেখ করা নেই, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নামও নেই। কিন্তু লেখাটা খুবই পেশাদার, সঠিক টেকনিকাল শব্দ দিয়ে। সাইটটার ডিজাইনও দেখতে একটা আসল বৈজ্ঞানিক জার্নালের মতো।
- পেশাদার লেখা আর অফিশিয়াল ডিজাইনই প্রমাণ করে এটা একটা আসল উৎস
- এটা একটা নকল বৈজ্ঞানিক সাইটের ভালো উদাহরণ: বিশ্বাসযোগ্য ডিজাইন, কোনো নাম উল্লেখ নেই, গবেষকদের কোনো লিংক নেই। আসল ঘোষণাটা আসল সাইটে (বিশ্ববিদ্যালয়, বড় জার্নাল) খুঁজে দেখো
- বর্ণিত ভাইরাসটা মেডিকেলি বাস্তবসম্মত শোনাচ্ছে
উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখো
সঠিক উত্তর: এটা একটা নকল বৈজ্ঞানিক সাইটের ভালো উদাহরণ: বিশ্বাসযোগ্য ডিজাইন, কোনো নাম উল্লেখ নেই, গবেষকদের কোনো লিংক নেই। আসল ঘোষণাটা আসল সাইটে (বিশ্ববিদ্যালয়, বড় জার্নাল) খুঁজে দেখো
নকল বৈজ্ঞানিক সাইটগুলো আসল সাইটের স্বর আর গঠন নকল করে। কিন্তু একটা সত্যিকারের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার প্রকাশ হয় একটা পিয়ার-রিভিউড জার্নালে, নাম উল্লেখ করা লেখক আর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে। এটা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইটেও দেখা যায়। কোনো অচেনা সাইটে “বৈজ্ঞানিক” ঘোষণা কিন্তু কোনো নামধারী গবেষক ছাড়াই = বানানো কনটেন্টের খুব বড় ঝুঁকি।
সম্পর্কিত অভ্যাস : 1. কে বলছে? · 2. কোন উৎস?